Managed sourcing from Bangladesh, for export and for buyers at home
Get it sourced

পাইকারি পণ্য

ঘড়ির পাইকারি মার্কেট

ঢাকায় ঘড়ির পাইকারি মার্কেট হিসেবে পরিচিত পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলী: বুড়িগঙ্গার তীরে, সদরঘাটের কাছে, ইসলামপুর রোডে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের পাশের প্রবেশমুখ দিয়ে ঢুকতে হয়। এখানে বহু বছর ধরে হাতঘড়ি ও দেয়ালঘড়ির দোকান। সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবার পুরো দিন আর শনিবার বেলা ২টা পর্যন্ত।

এলাকা
পাটুয়াটুলী, পুরান ঢাকা; বুড়িগঙ্গার তীরে, সদরঘাটের কাছে
প্রবেশমুখ
ইসলামপুর রোড, ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের পাশে
যা পাওয়া যায়
হাতঘড়ি ও দেয়ালঘড়ি
সাপ্তাহিক বন্ধ
শুক্রবার পুরো দিন, শনিবার বেলা ২টা পর্যন্ত
খোলার সময়
সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা (১২ আগস্ট ২০২৬ থেকে সরকারি নিয়ম)

ঘড়ির পাইকারি মার্কেট কোথায়: পাটুয়াটুলী

পাটুয়াটুলী পুরান ঢাকায়, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে, সদরঘাটের কাছে। ২০২১ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী বাজারে ঢুকতে হয় ইসলামপুর রোডে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের পাশের প্রবেশমুখ দিয়ে, আর ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনেও সদরঘাটে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের কাছে ঘড়ি মেরামতের কারিগরদের কথা আছে। এখানে বহু বছর ধরে নানা ধরনের হাতঘড়ি ও দেয়ালঘড়ির দোকান, আর ঘড়ির পাইকারি দোকানের জন্যও জায়গাটি পরিচিত।

সাম্প্রতিক কোনো সূত্রে এখানকার দোকানের সংখ্যা বা ভেতরের গলি ও ভবনের নাম পাইনি। তাই প্রথমবার গেলে প্রবেশমুখ থেকে খোঁজ নিয়ে এগোন, আর কয়েকটি দোকানে একই ধরনের ঘড়ির দর ও মান মিলিয়ে তারপর কিনুন।

পাটুয়াটুলী কবে বন্ধ, কখন খোলা

ঢাকার এলাকাভিত্তিক বন্ধের তালিকা অনুযায়ী পাটুয়াটুলীসহ সদরঘাট এলাকার দোকানপাট শুক্রবার পুরো দিন আর শনিবার বেলা ২টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে; ইসলামপুরের কাপড়ের বাজার আর নবাবপুরও একই দলে। নিয়মটি ২০১০ সালের সরকারি সিদ্ধান্ত থেকে, আর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের দৈনিক তালিকাতেও সদরঘাট এলাকা এই দলে আছে।

খোলার সময় এখন সরকারি নিয়মে বাঁধা: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট থেকে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশে মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যায়, আর সেপ্টেম্বরে এ নিয়ম কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতও চলেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে এই সময় কয়েকবার বদলেছে। যাওয়ার আগে দোকানে ফোন করে সময় নিশ্চিত হয়ে নিন।

ঢাকার বাইরে থেকে এলে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে কোনো দিন বেছে নিন, তাহলে পুরো দিন কেনাকাটার সময় পাবেন।

কোন ধরনের ঘড়ি মেলে, আসে কোথা থেকে

২০১৯ ও ২০২১ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী পাটুয়াটুলীতে হাতঘড়ির পাশাপাশি দেয়ালঘড়িও মেলে। ২০২১ সালের এক প্রতিবেদনে এখানকার এক ব্যবসায়ী বলেছিলেন, অ্যানালগের চেয়ে ডিজিটাল ঘড়ির চাহিদা বেশি। ঘড়ির ভেতরের কলকব্জাকে বলে মুভমেন্ট, যা মূলত দুই রকম: কোয়ার্টজ, মানে ব্যাটারিতে চলা, আর যান্ত্রিক, মানে স্প্রিংয়ে দম দিয়ে চলা। শুধু সময় দেখার জন্য তৈরি বেশির ভাগ ঘড়ি সাধারণত কোয়ার্টজের, তাই কেনার সময় ব্যাটারির ধরন আর তা বদলানোর সুবিধা জেনে নিন।

২০২১ সালের এক প্রতিবেদনে পরিসংখ্যান ব্যুরোর বাণিজ্য-তথ্যের বরাতে বলা হয়েছিল, ঘড়ি ও দেয়ালঘড়ি আমদানির প্রধান উৎস চীন, তারপর ভারত ও জাপান। পাটুয়াটুলীর দোকানে ঘড়ি কোন দেশের তৈরি আর আমদানির কাগজ আছে কি না, বিক্রেতার কাছে জেনে নিন।

চাহিদার দিকটাও মাথায় রাখুন: ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে সদরঘাটের এক ঘড়ি-মেরামতকারী বলেছেন মোবাইল ফোন আসার পর ঘড়ির চাহিদা কমেছে, আর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এক তরুণ ঘড়ি-ব্যবসায়ী অর্থনৈতিক মন্দায় বিক্রি কমার কথা বলেছেন। তাই নতুন ব্যবসায় শুরুতে অল্প পরিমাণে কয়েকটি মডেল নিয়ে দেখুন কোনটা চলে।

পাইকারি দাম আর ন্যূনতম অর্ডার

Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না। পাইকারিতে কমপক্ষে কত পিস নিতে হবে, এর নির্দিষ্ট নিয়ম কোনো সূত্রে পাইনি, তাই দর নেওয়ার আগে জেনে নিন; একই দরে মডেল বা রং মেশানো যাবে কি না, আর পরে একই মডেল আবার পাওয়া যাবে কি না, সেটাও শুরুতেই পরিষ্কার করুন। দাম সাধারণত ঠিক হয় এসব দিয়ে:

  • ধরন: হাতঘড়ি না দেয়ালঘড়ি, অ্যানালগ না ডিজিটাল।
  • মুভমেন্ট: কোয়ার্টজ না যান্ত্রিক।
  • কেস, কাচ, ফিতা বা চেইনের উপাদান, আর পানিরোধের মাত্রা।
  • বাক্স, ওয়ারেন্টি কার্ড আর আমদানির কাগজ সঙ্গে আছে কি না।
  • পরিমাণ, আর একই মডেলের কত পিস নিচ্ছেন।

কেনার আগে যা যাচাই করবেন

নমুনা হাতে নিয়ে একবার, আর ডেলিভারির মাল এলে আবার, এগুলো দেখে নিন:

  • ঘড়ি ঠিক সময় দিচ্ছে কি না; কাঁটা, ডিজিটাল পর্দা আর বোতাম ঠিকমতো কাজ করে কি না।
  • ব্যাটারি চালু আছে কি না, আর বদলাতে হলে কোন ব্যাটারি লাগবে।
  • কাচে দাগ বা ফাটল, কেসে চিড়, আর ফিতা বা চেইনের আংটা ঠিক আছে কি না।
  • গায়ে ‘ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট’ লেখা থাকলে মাত্রা দেখুন: ৩০ মিটার লেখা ঘড়ি সাঁতারের জন্য নয়, সাধারণত শুধু বৃষ্টির ছিটা বা পানির ফোঁটা সইতে পারে বলে ধরা হয়।
  • একই লটের সব পিস নমুনার সঙ্গে মেলে কি না, আর বাক্সে পিস গুনে মিলছে কি না।
  • দর, মডেল, পরিমাণ ও তারিখ লেখা মেমো বা রসিদ নিন।
  • অন্য জেলায় পাঠাতে প্রতিটি ঘড়ি বাক্সে রেখে শক্ত কার্টনে প্যাক করুন, আর পথে ভাঙলে বা হারালে দায় কার, আগেই ঠিক করুন।

ব্র্যান্ডের নাম লেখা ঘড়ি কিনলে

কোনো পণ্যে ট্রেডমার্ক মিথ্যাভাবে ব্যবহার করা, আর মিথ্যা ট্রেডমার্কযুক্ত পণ্য বিক্রি করা বা বিক্রির জন্য রাখা, ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ; ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এও পণ্যের নকল তৈরি দণ্ডনীয়। অর্থাৎ বিক্রির জন্য দোকানে রাখলেও বিক্রেতার দায় আসতে পারে।

তাই ঘড়ির গায়ে কোনো ব্র্যান্ডের নাম থাকলে বিক্রেতার কাছে বৈধ আমদানির কাগজ আর ওয়ারেন্টি কার্ড চেয়ে নিন, কাগজ না পেলে সে ঘড়ি নেবেন না। Roptan ব্র্যান্ডের নকল ঘড়ির অর্ডার নেয় না।

পাটুয়াটুলীতে না গিয়েও ঘড়ি পাইকারি কিনুন

কোন ধরনের ঘড়ি (হাতঘড়ি না দেয়ালঘড়ি, অ্যানালগ না ডিজিটাল), কোন মুভমেন্ট, কত পিস, কোন জেলায় পৌঁছাবে আর কবের মধ্যে লাগবে, এটুকু Roptan-কে জানান। Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর বাংলাদেশের ভেতরে আপনার ঠিকানায় পাঠায়। পুরান ঢাকায় দোকানে দোকানে ঘোরা, দরদাম বা একা মাল যাচাইয়ের ঝামেলা থাকে না; লেনদেন হয় শুধু Roptan-এর সঙ্গে।

পুরো চাহিদা পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম উত্তর দেওয়া হয়। Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না; দাম, ন্যূনতম অর্ডার আর ডেলিভারির তারিখ আসে কোটেশনে, মানে লিখিত দরপ্রস্তাবে। সরবরাহকারীর সঙ্গে নিজে লেনদেন করতে চাইলে Requirement board-এ চাহিদা পোস্ট করুন; সদস্য সরবরাহকারীরা দর দিলে তাঁদের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন করবেন।

সাধারণ প্রশ্ন

ঘড়ির পাইকারি মার্কেট কোথায়?

ঢাকায় পরিচিত জায়গা পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলী, বুড়িগঙ্গার তীরে সদরঘাটের কাছে; ইসলামপুর রোডে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের পাশের প্রবেশমুখ দিয়ে ঢুকতে হয়। এখানে বহু বছর ধরে হাতঘড়ি ও দেয়ালঘড়ির দোকান।

পাটুয়াটুলী ঘড়ির মার্কেট কবে বন্ধ থাকে?

শুক্রবার পুরো দিন আর শনিবার বেলা ২টা পর্যন্ত। ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট থেকে সরকারি নিয়মে দোকান খোলা সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা; যাওয়ার আগে দোকানে ফোন করে সময় নিশ্চিত হয়ে নিন।

পাইকারি ঘড়ির দাম কত?

Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না। দাম সাধারণত ঘড়ির ধরন, মুভমেন্ট, উপাদান, পরিমাণ আর ওয়ারেন্টির ওপর নির্ভর করে; আপনার চাহিদার দাম, ন্যূনতম অর্ডার ও ডেলিভারির তারিখ আসে কোটেশনে।

দেয়ালঘড়ি কি পাইকারি পাওয়া যায়?

২০১৯ ও ২০২১ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী পাটুয়াটুলীতে হাতঘড়ির পাশাপাশি দেয়ালঘড়ির দোকানও আছে। পাইকারিতে নিতে চাইলে মাপ, মুভমেন্ট আর পরিমাণ জানিয়ে কয়েকটি দোকানে দর মিলিয়ে নিন।

ঘড়ির ব্যবসা শুরু করতে কয়টি মডেল নেব?

এর কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম সূত্রে পাইনি। ২০২৪ ও ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে ঘড়ির চাহিদা ও বিক্রি কমার কথা এসেছে, তাই শুরুতে অল্প পরিমাণে কয়েকটি মডেল নিয়ে দেখুন কোনটা চলে।

ব্র্যান্ডের ঘড়ি পাইকারি কিনতে কী দেখব?

বৈধ আমদানির কাগজ, ওয়ারেন্টি কার্ড আর রসিদ। মিথ্যা ট্রেডমার্কযুক্ত পণ্য বিক্রি করা বা বিক্রির জন্য রাখা ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অপরাধ, তাই কাগজ ছাড়া ব্র্যান্ডের নাম লেখা ঘড়ি নেবেন না।

ঢাকায় না গিয়ে কি ঘড়ি পাইকারি কেনা যায়?

হ্যাঁ। ঘড়ির ধরন, পরিমাণ, ডেলিভারির জেলা আর কবের মধ্যে লাগবে জানালে Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে, পণ্য দেখে, আপনার ঠিকানায় পাঠায়; পুরো তথ্য পেলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম উত্তর আসে।

পাইকারি কেনার চাহিদা পাঠান

বাজারে না গিয়েও কিনুন: Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর আপনার ঠিকানায় পাঠায়।