Managed sourcing from Bangladesh, for export and for buyers at home
Get it sourced

পাইকারি পণ্য

মোমবাতির পাইকারি বাজার

মোমবাতির পাইকারি দাম সাধারণত ধরন, মাপ, মোম আর পরিমাণে ঠিক হয়; Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না, আপনার চাহিদার দাম আসে কোটেশনে। মোমবাতির আলাদা কোনো পাইকারি বাজার, রাস্তা বা মার্কেটের নাম নির্ভরযোগ্য সূত্রে আমরা পাইনি; ২০২২ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী পাইকাররা সাধারণত কারখানা থেকে বেশি পরিমাণে মোমবাতি কিনে মুদি দোকানে বিক্রি করেন, আর মোমবাতি সাধারণত ডজন ধরে বিক্রি হয়।

আলাদা পাইকারি বাজার
নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো বাজার, রাস্তা বা মার্কেটের নাম মেলেনি (অক্টোবর ২০২৬)
কালীপূজা বা দীপাবলিতে
মন্দির ও বাড়িতে মাটির প্রদীপের সঙ্গে মোমবাতিও জ্বালানো হয় (২০২২ ও ২০২৩ সালের প্রতিবেদন)
২০২৬ সালের লোডশেডিং
জুন ও সেপ্টেম্বরের খবরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিং; মোমবাতি বিক্রি নিয়ে আলাদা খবর নেই
দোকান খোলার সময়
সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা (১২ আগস্ট ২০২৬ থেকে সরকারি নির্দেশ)

মোমবাতি পাইকারি কোথায় খুঁজবেন

২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত খুঁজেও ঢাকা বা চট্টগ্রামে মোমবাতির জন্য আলাদা কোনো পাইকারি বাজার, রাস্তা বা ভবনের নাম নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাইনি। ২০২২ সালের অক্টোবরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী মোমবাতি সাধারণত কারখানা থেকে পাইকাররা বেশি পরিমাণে কেনেন, তারপর তা পাড়ার মুদি দোকানে বিক্রি হয়। তাই খোঁজ শুরু করতে পারেন মুদি পণ্যের পাইকারদের কাছে, কিংবা সরাসরি কারখানায়।

২০২৩ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী পুরান ঢাকার চকবাজার আর আশপাশের মৌলভীবাজার, বেগমবাজার ও উর্দু রোড নানা ধরনের পাইকারি পণ্যের বড় বিক্রয়কেন্দ্র; চকবাজারে সাধারণত মনিহারি, প্রসাধনী, খেলনা ও নিত্যব্যবহার্য সামগ্রীর পাইকারি ব্যবসা চলে। তবে এই বাজারগুলোতে মোমবাতি বিক্রির কথা কোনো সূত্রে আলাদা করে আসেনি। ২০২৪ সালের তালিকা অনুযায়ী চকবাজার, মৌলভীবাজার ও বেগমবাজারসহ এই এলাকার মার্কেট শুক্রবার পুরো দিন আর শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে; ২০২৬ সালের ২ অক্টোবরের দৈনিক তালিকাতেও শুক্রবারের বন্ধে চকবাজারের নাম আছে।

খোলার সময় এখন সরকারি নিয়মে বাঁধা: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট থেকে দেশের শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যায়; খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এর বাইরে। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে এই সময় কয়েকবার বদলেছে, তাই যাওয়ার আগে দোকানে ফোন করে সময় নিশ্চিত হয়ে নিন।

মোমবাতির ধরন আর মোম

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, একসময় বিদ্যুৎ চলে গেলে লোকে লম্বা সাদা মোমবাতির খোঁজ করত; এখন ঘর সাজানোর মোমবাতিও বিক্রি হয়, যেমন পানিতে ভাসিয়ে রাখার মোমবাতি আর কাচের জারে ভরা সুগন্ধি মোমবাতি।

মোমের দিক থেকে সাধারণ মোমবাতির প্রধান উপাদান সাধারণত প্যারাফিন, যা পেট্রোলিয়াম পরিশোধনের উপজাত; বিকল্প হিসেবে সয়া মোম, মৌমাছির মোম আর স্টিয়ারিনের মোমবাতিও আছে। কোন মোম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা নিয়ে সূত্রগুলো একমত নয়, তাই এ নিয়ে আমরা কোনো দাবি করছি না; বিক্রির সময় আপনিও এমন দাবি না করাই ভালো। অর্ডারে শুধু মোমের ধরন স্পষ্ট লিখে নিন।

কোন সময় মোমবাতির চাহিদা থাকে

২০২২ সালে এক কারখানা মালিক বলেছিলেন, মোমবাতির অর্ডার সাধারণত ধর্মীয় অনুষ্ঠান আর উৎসবের সময় বাড়ে। কালীপূজা বা দীপাবলিতে মন্দির ও বাড়িতে মাটির প্রদীপের সঙ্গে মোমবাতিও জ্বালানো হয়; ২০২২ সালের দীপাবলির সময় পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারের প্রবেশপথে প্রদীপ ও মোমবাতির দোকান বসেছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের খবরে বড়দিনে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ঘরে ও গির্জায় মোমবাতি জ্বালানোর কথা আছে, আর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শবে বরাতের রাতে পুরান ঢাকায় শিশু-কিশোরদের মোমবাতি কিনতে দেখা যাওয়ার খবর এসেছে।

কালীপূজা আর শবে বরাতের তারিখ ইংরেজি ক্যালেন্ডারে প্রতি বছর বদলায়, তাই উৎসবের কয়েক সপ্তাহ আগে অর্ডার দিন। লোডশেডিংয়ের হিসাবও আছে: ২০২৬ সালের জুনের খবরে গ্রামে বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর সেপ্টেম্বরের খবরে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের কথা আছে, তবে এ বছর মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে কি না, এমন কোনো প্রতিবেদন পাইনি।

২০২২ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী চার্জার লাইট চালু হওয়ার পর দোকানে সাধারণত অল্প মোমবাতিই মজুত থাকে; সে বছর জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ের দিন ঢাকার এক পাইকারি দোকানের সব মোমবাতি অল্প সময়েই বিক্রি হয়ে যায়। মানে হঠাৎ চাহিদা এলে বাজারে মাল ফুরিয়ে যেতে পারে, তাই দোকানের জন্য আগে থেকে কিছু মজুত রাখুন।

পাইকারি দাম কীসে ঠিক হয়, কোন হিসাবে বিক্রি হয়

Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না। মোমবাতি সাধারণত ডজন হিসেবে গোনা ও বিক্রি হয়; ২০২২ সালের দুটি প্রতিবেদনে ঢাকার দোকানে ডজন ধরে বিক্রির কথা আছে। প্যাকেট, কার্টন বা ওজনের হিসাব নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাইনি, তাই দর নেওয়ার সময় এক প্যাকেটে কয়টি আর এক কার্টনে কয় প্যাকেট, স্পষ্ট করে নিন। দর সাধারণত নির্ভর করে:

  • ধরন: সাধারণ সাদা, রঙিন, ভাসমান, নাকি জারে ভরা সুগন্ধি।
  • মাপ ও ওজন: লম্বা, মোটা না ছোট।
  • মোম: প্যারাফিন, সয়া, মৌমাছির মোম না স্টিয়ারিন।
  • প্যাকিং: খোলা, প্যাকেটে, নাকি উপহারের বাক্সে।
  • পরিমাণ আর সময়: উৎসবের ঠিক আগে অর্ডার দিলে সময়মতো মাল পাওয়া কঠিন হতে পারে।

কেনার আগে যা দেখবেন, আর পাঠানোর সময় সাবধানতা

বড় অর্ডারের আগে কয়েকটি নমুনা নিয়ে জ্বালিয়ে দেখুন, তারপর এগুলো মিলিয়ে নিন:

  • সলতে মাঝখানে সোজা বসানো কি না, আর জ্বলার সময় শিখা স্থির থাকে কি না।
  • মোম বেশি গলে গড়িয়ে পড়ে কি না, কালো ধোঁয়া বেশি হয় কি না।
  • মোমবাতিগুলো সোজা ও সমান মাপের কি না; ফাটা বা বাঁকা কতগুলো।
  • রঙিন মোমবাতির রং হাতে লাগে কি না, সুগন্ধি মোমবাতির গন্ধ কেমন।
  • প্যাকেটে লেখা সংখ্যা আর আসল সংখ্যা মেলে কি না, আর মেমোতে ধরন ও পরিমাণ লেখা আছে কি না।
  • পাঠানোর ব্যবস্থা: মোম গরমে নরম হয়ে বেঁকে যেতে পারে, তাই শক্ত কার্টনে, রোদ ও গরম থেকে দূরে রেখে পাঠানোর কথা বলুন; কাচের জার আলাদা করে মুড়িয়ে নিন, আর কুরিয়ার না পরিবহন, পথে ভাঙলে বা বেঁকে গেলে দায় কার, আগে ঠিক করুন।

বাজার না খুঁজেই মোমবাতি পাইকারি কিনুন

কোন ধরনের মোমবাতি, কোন মাপ বা রং, কত ডজন, কোন জেলায় আর কবের মধ্যে লাগবে, এটুকু Roptan-কে জানান। Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর বাংলাদেশের ভেতরে আপনার ঠিকানায় পাঠায়। কোন বাজারে মিলবে খুঁজে বেড়ানো, দরদাম বা একা মাল যাচাইয়ের ঝামেলা থাকে না; লেনদেন হয় শুধু Roptan-এর সঙ্গে।

পুরো চাহিদা পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম উত্তর দেওয়া হয়। Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না; দাম, ন্যূনতম অর্ডার আর ডেলিভারির তারিখ আসে কোটেশনে। দীপাবলি, বড়দিন বা শবে বরাতের জন্য লাগলে সময় হাতে রেখে জানান। নিজে সরবরাহকারীর সঙ্গে লেনদেন করতে চাইলে Requirement board-এ চাহিদা দিন; সদস্য সরবরাহকারীরা দর দিলে তাঁদের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন করবেন।

সাধারণ প্রশ্ন

মোমবাতির পাইকারি বাজার কোথায়?

মোমবাতির আলাদা কোনো পাইকারি বাজারের নাম নির্ভরযোগ্য সূত্রে আমরা পাইনি। ২০২২ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী পাইকাররা সাধারণত কারখানা থেকে কিনে মুদি দোকানে বিক্রি করেন, তাই মুদি পণ্যের পাইকার বা কারখানা থেকেই খোঁজ শুরু করা যায়।

মোমবাতির পাইকারি দাম কত?

Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না। দর সাধারণত ধরন, মাপ, মোম, প্যাকিং আর পরিমাণে ঠিক হয়; আপনার চাহিদার দাম, ন্যূনতম অর্ডার আর ডেলিভারির তারিখ আসে কোটেশনে।

মোমবাতি কি ডজন হিসেবে বিক্রি হয়?

সাধারণত হ্যাঁ, মোমবাতি ডজন ধরে গোনা ও বিক্রি হয়। এক প্যাকেটে বা কার্টনে কয়টি থাকে, তা বিক্রেতার কাছে আগে জেনে নিন।

কোন সময় মোমবাতির চাহিদা বাড়ে?

সাধারণত ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও উৎসবে, যেমন কালীপূজা বা দীপাবলি, বড়দিন আর শবে বরাতে। আগের প্রতিবেদনে লোডশেডিংয়ের সময়ও মোমবাতির খোঁজ পড়ার কথা আছে, তবে ২০২৬ সালে বিক্রি বেড়েছে কি না, এমন কোনো প্রতিবেদন পাইনি।

সুগন্ধি বা সাজানোর মোমবাতি কি পাইকারি পাওয়া যায়?

২০২৪ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী এখন ভাসমান মোমবাতি আর কাচের জারে সুগন্ধি মোমবাতিও বিক্রি হয়। কোন ধরন, কত পিস আর কেমন প্যাকিং চান, লিখে জানালে Roptan-এর কোটেশনে দর আসে।

দোকানে মোমবাতির মজুত কম থাকে কেন?

২০২২ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী চার্জার লাইট চালু হওয়ার পর দোকানে সাধারণত অল্প মোমবাতিই মজুত রাখা হয়। তাই উৎসব বা দোকানের জন্য বেশি লাগলে আগে থেকে অর্ডার দিন।

ঢাকার বাইরে থেকে মোমবাতি পাইকারি কীভাবে কিনব?

মোমবাতির ধরন, মাপ, কত ডজন, ডেলিভারির জেলা আর কবের মধ্যে লাগবে জানালে Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে, পণ্য দেখে, আপনার ঠিকানায় পাঠায়; পুরো তথ্য পেলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম উত্তর আসে।

পাইকারি কেনার চাহিদা পাঠান

বাজারে না গিয়েও কিনুন: Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর আপনার ঠিকানায় পাঠায়।