Managed sourcing from Bangladesh, for export and for buyers at home
Get it sourced

পাইকারি পণ্য

ক্রোকারিজ পাইকারি বাজার

ক্রোকারিজ পাইকারি কিনতে চাইলে যে বাজারটির কথা খবরে এসেছে, সেটি টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট, গাজীপুর জেলায়। উত্তরা থেকে টঙ্গী-গাজীপুরের পথে মূল সড়ক থেকে মোড় নিয়ে সেখানে যেতে হয়। এই বাজারে চায়ের কাপ-পিরিচ, পানির মগ, কফি মগ, জগ, প্লেট, বাটি, ট্রে আর ডিনার সেট পাওয়া যায়। ঢাকার ভেতরে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড রোডেও সাধারণত ক্রোকারিজ মেলে বলে একটি অনলাইন লেখায় আছে।

বাজার
চেরাগ আলী মার্কেট, টঙ্গী (গাজীপুর জেলা)
যাওয়ার পথ
উত্তরা থেকে টঙ্গী-গাজীপুরের পথে, মূল সড়ক থেকে মোড় নিয়ে
যা পাওয়া যায়
কাপ-পিরিচ, মগ, জগ, প্লেট, বাটি, ট্রে, ডিনার সেট
খোলার সময়
২০২৬ সালের আগস্টের সরকারি নির্দেশনায় মার্কেট সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা

ক্রোকারিজের পাইকারি বাজার কোথায়

চেরাগ আলী মার্কেট টঙ্গীতে, গাজীপুর জেলায়; অনেকে একে ঢাকার বাজার ভাবেন, কিন্তু এটি ঢাকা শহরের বাইরে। উত্তরা থেকে টঙ্গী-গাজীপুরের পথে মূল সড়ক থেকে মোড় নিয়ে সেখানে যেতে হয়। বাজারটি সিরামিক ও ক্রোকারিজের, আর এর ভেতরে শের-ই-বাংলা সিরামিক মার্কেট নামে একটি অংশ আছে। ২০২২ সালে আর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দুটি আলাদা সংবাদমাধ্যমে এই বাজার নিয়ে প্রতিবেদন এসেছে।

পুরান ঢাকায় চকবাজারের পাশে মিটফোর্ড রোডে সাধারণত মেলামাইন ও সিরামিকের থালাবাসন আর স্টিলের হাঁড়ি-পাতিলসহ রান্নাঘরের জিনিস পাওয়া যায় বলে একটি অনলাইন লেখায় আছে। এই রাস্তার ক্রোকারিজ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কোনো প্রতিবেদন আমরা পাইনি, তাই গিয়ে দোকানে জিজ্ঞেস করে নিন।

চেরাগ আলী মার্কেটে কী পাওয়া যায়

২০২২ সালের আরেকটি প্রতিবেদনে স্টোনওয়্যার, চায়নাওয়্যার ও পোর্সেলিনের জিনিসের কথা আছে, সঙ্গে কাচের জিনিস আর গাছের টব। মগ বা প্লেটে দোকানের লোগো, ছবি বা লেখা ছাপিয়ে নেওয়ার অর্ডারও সাধারণত নেওয়া হয়; ২০২৬ সালের জানুয়ারির খবর অনুযায়ী সাধারণত ৫০টির কম অর্ডার নেওয়া হয় না, তবে ন্যূনতম কতটি লাগবে, তা দোকানে আগে জেনে নিন।

২০২৬ সালের জানুয়ারির একটি সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী চেরাগ আলী মার্কেটে এসব জিনিস পাওয়া যায়:

  • চায়ের কাপ-পিরিচ
  • পানির মগ ও কফি মগ
  • জগ
  • ভাত ও পোলাওয়ের প্লেট, বাটি
  • ট্রে আর লবণদানি
  • ডিনার সেট

সেখানে পাইকারি কেনা কীভাবে চলে

চেরাগ আলী মার্কেটে পাইকারি আর খুচরা দুই ভাবেই সাধারণত বিক্রি হয়। ২০২২ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাজারটি মূলত পাইকারি; খুচরা ক্রেতার কাছে বেচতে দোকানিরা একটু অনিচ্ছুক থাকেন, তবে অনুরোধ করলে রাজি হন, আর দাম সাধারণত প্রায় বাঁধা থাকে, দরদাম কম হয়। এই অভ্যাস সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে, তাই কয়েকটি দোকানে দর মিলিয়ে দেখুন।

দূরে পাঠানোর জন্য মাল সাধারণত বড় কাগজের বাক্সে খড় বিছিয়ে সাজিয়ে প্যাক করা হয়, যাতে পথে না ভাঙে।

২০২৬ সালের আগস্ট থেকে সরকারের বিদ্যুৎ-সাশ্রয় নির্দেশনায় দেশের মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যায়। চেরাগ আলী মার্কেটের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নিয়ে সাম্প্রতিক কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র আমরা পাইনি। যাওয়ার আগে দোকানে ফোন করে সময় নিশ্চিত হয়ে নিন।

ধরন, উপাদান আর দেশি মাল

ক্রোকারিজ বলতে সাধারণত কাপ, প্লেট, বাটি, মগ, জগ, ট্রে আর ডিনার সেটের মতো খাবার পরিবেশনের জিনিস বোঝায়। উপাদান ভেদে সিরামিক, পোর্সেলিন, স্টোনওয়্যার, কাচ বা মেলামাইন হতে পারে, আর একই রকম দেখতে জিনিসের মান ও দাম উপাদানের ওপর অনেকটা বদলে যায়।

দেশেও সিরামিক টেবিলওয়্যার তৈরি হয়; ২০২৬ সালের আগস্টের একটি খবরে সিরামিক শিল্পের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে তৈরি টেবিলওয়্যার ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানিও হচ্ছে। তাই দর নেওয়ার সময় দেশি মালের কথাও জিজ্ঞেস করুন।

দাম, ন্যূনতম অর্ডার আর অর্ডারে যা লিখবেন

ক্রোকারিজের পাইকারি দাম সাধারণত নির্ভর করে উপাদান, মাপ, সেটে কয়টি পিস, নকশা বা ছাপা, পরিমাণ আর প্যাকিংয়ের ওপর। ন্যূনতম অর্ডার বিক্রেতাই ঠিক করেন। অর্ডারে এগুলো পরিষ্কার লিখুন:

  • কী জিনিস আর কোন উপাদানের: সিরামিক, পোর্সেলিন, কাচ না মেলামাইন।
  • মাপ, আর সেট হলে সেটে কয়টি পিস।
  • রং ও নকশা, লোগো ছাপাতে হলে তার ফাইল।
  • মোট পরিমাণ (পিস, ডজন বা সেট), ডেলিভারির জেলা আর কবের মধ্যে লাগবে।

দাম মেটানোর আগে যা পরীক্ষা করবেন

নমুনা হাতে পেলে একবার, আর পুরো মাল এলে আরেকবার এগুলো দেখে নিন: বড় অর্ডারের আগে একটি বা দুটি নমুনা চেয়ে নিন, বিশেষ করে ছাপানো বা সেটের অর্ডারে।

  • কিনারা আর হাতলে চিড়, ফাটল বা ভাঙা দাগ আছে কিনা।
  • গ্লেজ (ওপরের চকচকে আবরণ) সমান কিনা, কোথাও উঠে গেছে বা দাগ আছে কিনা।
  • সেটের সব পিসের রং, নকশা আর মাপ এক রকম কিনা।
  • ছাপা লোগো বা লেখা স্পষ্ট, সোজা আর ঠিক জায়গায় কিনা।
  • বাক্সে পিস গুনে দেখুন; বাক্স খোলার সময় ভিডিও করে রাখুন।
  • পথে কিছু ভাঙলে দায় কার, তা দাম মেটানোর আগেই ঠিক করুন।

টঙ্গী না গিয়ে Roptan-কে চাহিদা জানান

বাজারে না গিয়েও পাইকারি কিনুন: কী জিনিস, কোন উপাদান, পরিমাণ, ডেলিভারির জেলা আর কবের মধ্যে লাগবে জানালে Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর বাংলাদেশের ভেতরে আপনার ঠিকানায় পাঠায়। টঙ্গী বা পুরান ঢাকায় নিজে যেতে, দরদাম করতে বা মাল একা যাচাই করতে হয় না; লেনদেন হয় শুধু Roptan-এর সঙ্গে।

নিজে সরবরাহকারীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে রিকোয়ারমেন্ট বোর্ডে চাহিদা দিন; সদস্য সরবরাহকারীরা দর দেবেন, আর আপনি সরাসরি তাঁদের সঙ্গে কাজ করবেন। পুরো চাহিদা পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম উত্তর আসে। Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না; দাম, ন্যূনতম অর্ডার আর ডেলিভারির তারিখ আসে কোটেশনে।

সাধারণ প্রশ্ন

ক্রোকারিজের পাইকারি বাজার কোথায়?

টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেটে (গাজীপুর জেলা) কাপ-পিরিচ, মগ, প্লেট, বাটি আর ডিনার সেট পাওয়া যায়, সাধারণত পাইকারি ও খুচরা দুই ভাবেই। ঢাকার ভেতরে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড রোডেও সাধারণত ক্রোকারিজ মেলে বলে একটি অনলাইন লেখায় আছে।

চেরাগ আলী মার্কেট কোথায়, কীভাবে যাব?

বাজারটি টঙ্গীতে, গাজীপুর জেলায়। উত্তরা থেকে টঙ্গী-গাজীপুরের পথে মূল সড়ক থেকে মোড় নিয়ে সেখানে যেতে হয়।

চেরাগ আলী মার্কেট কবে বন্ধ থাকে?

সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নিয়ে সাম্প্রতিক কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র আমরা পাইনি। যাওয়ার আগে দোকানে ফোন করে সময় নিশ্চিত হয়ে নিন।

মগ বা প্লেটে লোগো ছাপিয়ে পাইকারি নেওয়া যায়?

চেরাগ আলী মার্কেটে মগ বা প্লেটে লোগো, ছবি বা লেখা ছাপানোর অর্ডার সাধারণত নেওয়া হয়; ২০২৬ সালের জানুয়ারির খবর অনুযায়ী সাধারণত ৫০টির কম অর্ডার নেওয়া হয় না। ন্যূনতম পরিমাণ আর সময় আগে জেনে নিন, আর বড় অর্ডারের আগে নমুনা দেখুন।

অন্য জেলায় ক্রোকারিজ পাঠালে ভাঙে না?

ঝুঁকি থাকে। চেরাগ আলী মার্কেটে সাধারণত বড় কাগজের বাক্সে খড় বিছিয়ে প্যাক করা হয়; তবু পথে ভাঙলে দায় কার, তা আগে ঠিক করুন।

ক্রোকারিজের পাইকারি দাম কত?

Roptan সাইটে দাম প্রকাশ করে না। দাম সাধারণত উপাদান, মাপ, সেটের পিস, ছাপা আর পরিমাণের ওপর নির্ভর করে; আপনার চাহিদা অনুযায়ী দাম আর ন্যূনতম অর্ডার আসে কোটেশনে।

পাইকারি কেনার চাহিদা পাঠান

বাজারে না গিয়েও কিনুন: Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর আপনার ঠিকানায় পাঠায়।