Managed sourcing from Bangladesh, for export and for buyers at home
Get it sourced

পাইকারি কাপড়ের হাট

পোড়াদহ কাপড়ের পাইকারি বাজার, কুষ্টিয়া

পোড়াদহ কাপড়ের হাট কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায়, পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের গায়ে। এখানে শাড়ি, থ্রি-পিস, লুঙ্গি, গামছা, থান কাপড়, বেডশিট আর ছোটদের পোশাকের মতো কাপড় ও পোশাক বিক্রি হয়, আর নানা জেলার পাইকারের পাশাপাশি খুচরা ক্রেতারাও আসেন। হাটের দিন নিয়ে সূত্রগুলো একমত নয়, তাই যাওয়ার আগে ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

এলাকা
পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের পাশে, মিরপুর উপজেলা, কুষ্টিয়া
যা পাওয়া যায়
শাড়ি, থ্রি-পিস, লুঙ্গি, গামছা, গজ ও থান কাপড়, শার্ট-প্যান্ট ও পাঞ্জাবির কাপড়, বেডশিট, মশারি, ছোটদের পোশাক
কারা কেনেন
নানা জেলার পাইকার, সঙ্গে খুচরা ক্রেতা
ব্যস্ত সময়
ঈদের আগে (২০২৪ ও ২০২৬ সালের মার্চের খবর)

পোড়াদহ কাপড়ের হাট কোথায়

হাটটি কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায়, পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের একেবারে গায়ে। মিরপুর উপজেলার সরকারি ওয়েবসাইটের হাটবাজারের তালিকাতেও ‘পোড়াদহ সাপ্তাহিক’ নামে একটি হাট আছে, তবে সেখানে হাটের দিন বা ঠিকানার বিবরণ দেওয়া নেই।

রেলওয়ে জংশনের পাশে হওয়ায় ট্রেনে এসে নামা সাধারণত সুবিধাজনক, আর কুষ্টিয়া শহর থেকে সড়কপথেও আসা যায়। ট্রেনের সময়সূচি যাওয়ার আগে রেলের সূত্রে মিলিয়ে নিন। ঢাকা থেকে কোন পথে বা কোন বাসে আসবেন, তার নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি; প্রথমবার গেলে যে দোকানে যাবেন, সেখানে ফোন করে পথ জেনে নিন।

পোড়াদহ হাটে কী পাওয়া যায়

পোড়াদহ মূলত কাপড় আর তৈরি পোশাকের হাট। ২০১৯ সালের দুটি প্রতিবেদন অনুযায়ী এখানকার পণ্য সাধারণত দেশে তৈরি, বিদেশি পণ্য অল্প। কোন কাপড় কোথায় তৈরি, তা কেনার আগে বিক্রেতার কাছে জিজ্ঞেস করে নিন।

বিভিন্ন বছরের প্রতিবেদন মিলিয়ে এখানে যা পাওয়া যায়:

  • শাড়ি ও থ্রি-পিস
  • লুঙ্গি ও গামছা
  • গজ মেপে বিক্রির কাপড় আর থান কাপড় (থান মানে পুরো রোল কাপড়)
  • শার্ট-প্যান্টের কাপড় ও পাঞ্জাবির কাপড়
  • বেডশিট ও মশারি
  • ছোটদের পোশাক

হাট কবে বসে, কখন খোলা থাকে

পোড়াদহের হাটবার নিয়ে সূত্রগুলো একমত নয়, আর বছরভেদে দিন বদলেছে। ২০১৯ সালের দুটি প্রতিবেদনে হাটবার ছিল বৃহস্পতিবার, শুক্রবারেও কিছু কেনাবেচা; ২০২০ সালের এক লেখায় বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার; আর ২০২৪ সালের মার্চের খবরে বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার, পরপর তিন দিন। বৃহস্পতিবার ২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সব প্রতিবেদনে আছে, কিন্তু ২০২৪ সালের পরের কোনো খবরে হাটের দিন লেখা নেই।

হাট কখন শুরু হয়, কখন শেষ হয়, তাও প্রতিবেদনভেদে আলাদা; ২০১৯ ও ২০২০ সালের প্রতিবেদনে হাটবারে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেনাবেচা চলার কথা আছে। এর বাইরে ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি নির্দেশে সারা দেশের মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যায়; সাপ্তাহিক হাটে এই নিয়ম কীভাবে খাটে, তা কোনো সূত্রে বলা নেই। তাই কোনো নির্দিষ্ট দিন বা সময় ধরে রওনা দেবেন না। যাওয়ার আগে দোকানে ফোন করে সময় নিশ্চিত হয়ে নিন।

ঈদের আগে হাট জমে ওঠে: ২০২৪ সালের মার্চে ঈদ উপলক্ষে হাট জমজমাট থাকার খবর ছিল, আর ২০২৬ সালের মার্চেও একই মৌসুমে দোকানে বেশ বেচাকেনার খবর এসেছে। ভিড়ের মৌসুমে গেলে হাতে সময় রাখুন, আর সঙ্গে বেশি নগদ রাখবেন না।

পোড়াদহে পাইকারি কেনা কীভাবে হয়

হাটে পাইকার আর খুচরা দুই ধরনের ক্রেতাই আসেন, দেশের দূরের জেলা থেকেও ব্যবসায়ীরা কিনতে আসেন। ২০২৪ সালের মার্চের খবরে যশোরের পাইকারের কথা আছে, আর ২০২৬ সালের মার্চের খবর অনুযায়ী ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, রাজবাড়ী ও আশপাশের জেলার ব্যবসায়ীরা নিয়মিত আসেন। ২০১৬ সালের এক লেখা অনুযায়ী কেনা কাপড় সাধারণত ট্রাকে তুলে দেশের নানা জায়গায় পাঠানো হয়।

ন্যূনতম কত কিনতে হয়, কাপড় থান ধরে না গজ মেপে বিক্রি হয়, পোশাক পিস না ডজন হিসাবে, আর নগদ না মোবাইলে দাম দেওয়া যায়, এসব নিয়ে পোড়াদহের নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই দর ঠিক করার আগে বিক্রেতার কাছে এগুলো জেনে নিন, আর নতুন ক্রেতা হিসেবে বাকিতে মাল পাবেন, এমন ধরে নেবেন না।

অন্য জেলায় পাঠাতে হলে প্যাকিং কে করবে, ট্রাক বা ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে মাল কে তুলে দেবে আর ভাড়া কে দেবে, তা কেনার সময়ই ঠিক করুন। কাপড়ের গাঁট যেন ভিজে না যায়, সেভাবে মুড়িয়ে নিতে বলুন, আর চালানের রসিদ হাতে রাখুন।

দাম দেওয়ার আগে যা মিলিয়ে নেবেন

পুরো দাম মেটানোর আগে মাল খুলে নিজে দেখে নিন, বিশেষ করে কোনো দোকান থেকে প্রথমবার কিনলে। ফোনে অচেনা বিক্রেতাকে পুরো দাম আগাম পাঠাবেন না।

  • থান বা গজ কাপড়ের মাপ চালানের সঙ্গে মেলে কি না
  • কাপড়ের রং পাকা কি না: একটি টুকরো ধুয়ে দেখুন
  • পুরো লট নমুনার সঙ্গে রং, নকশা ও মানে মেলে কি না
  • ছোটদের পোশাকের সাইজ লেবেল আর আসল মাপ মেলে কি না
  • বুনন বা সেলাইয়ে ছেঁড়া, দাগ বা অন্য ত্রুটি আছে কি না
  • মেমোতে পণ্যের বিবরণ, পরিমাণ, দর আর মোট দাম লেখা আছে কি না

পোড়াদহে না গিয়েও কাপড় পাইকারি কিনুন

হাটের দিন নিশ্চিত না জেনে দূর থেকে কুষ্টিয়া যাওয়া মানে সময় আর খরচের ঝুঁকি। বাজারে না গিয়েও পাইকারি কিনুন: Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর বাংলাদেশের ভেতরে আপনার ঠিকানায় পাঠায়। আপনাকে দরদাম করতে বা একা মাল যাচাই করতে হয় না; লেনদেন হয় শুধু Roptan-এর সঙ্গে।

চাহিদায় লিখুন কোন কাপড় বা পোশাক (যেমন সুতি লুঙ্গি, থ্রি-পিস বা বেডশিট), কত পিস বা কত গজ, কোন জেলায় পৌঁছাবে আর কবের মধ্যে লাগবে। পুরো তথ্য পেলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম উত্তর পাবেন। সাইটে দাম দেওয়া থাকে না; দাম, ন্যূনতম অর্ডার আর ডেলিভারির তারিখ কোটেশনে জানানো হয়। নিজে সরবরাহকারীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে Requirement board-এ চাহিদা পোস্ট করুন; সদস্য সরবরাহকারীরা দর দেবেন, আর আপনি সরাসরি তাঁদের সঙ্গে লেনদেন করবেন।

সাধারণ প্রশ্ন

পোড়াদহ কাপড়ের হাট কোথায়?

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায়, পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের গায়ে। জংশনের পাশে হওয়ায় ট্রেনে আসা সাধারণত সুবিধাজনক।

পোড়াদহ হাট কবে বসে?

নির্দিষ্ট দিন বলা যাচ্ছে না: বৃহস্পতিবার ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের সব প্রতিবেদনে আছে, আর ২০২৪ সালের মার্চের খবরে বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার, পরপর তিন দিন হাট বসার কথা আছে। তার পরের খবরে দিন লেখা নেই; যাওয়ার আগে দোকানে ফোন করে সময় নিশ্চিত হয়ে নিন।

পোড়াদহ হাটে কী কী পাওয়া যায়?

শাড়ি, থ্রি-পিস, লুঙ্গি, গামছা, গজ ও থান কাপড়, শার্ট-প্যান্ট ও পাঞ্জাবির কাপড়, বেডশিট, মশারি আর ছোটদের পোশাক।

পোড়াদহে কি খুচরা কেনা যায়?

হ্যাঁ, হাটে পাইকারদের সঙ্গে খুচরা ক্রেতারাও আসেন। কত নিলে পাইকারি দর পাবেন, তা বিক্রেতার কাছে আগে জেনে নিন।

পোড়াদহে কখন ভিড় বেশি থাকে?

ঈদের আগে। ২০২৪ ও ২০২৬ সালের মার্চে ঈদের মৌসুমে হাটে বেশ বেচাকেনার খবর আছে।

পোড়াদহ থেকে কেনা কাপড় অন্য জেলায় কীভাবে যায়?

২০১৬ সালের এক লেখা অনুযায়ী কেনা কাপড় সাধারণত ট্রাকে তুলে দেশের নানা জায়গায় পাঠানো হয়। প্যাকিং আর পাঠানোর দায়িত্ব কার, তা কেনার সময় ঠিক করুন; না গিয়ে কিনতে চাইলে Roptan-কে চাহিদা পাঠান।

পাইকারি কেনার চাহিদা পাঠান

বাজারে না গিয়েও কিনুন: Roptan যাচাই করা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনে, পণ্য দেখে নেয়, তারপর আপনার ঠিকানায় পাঠায়।